আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ আটঘরিয়ায়

0

আটঘরিয়া প্রতিনিধি  : আটঘরিয়ায় দেবোত্তর বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে  ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে চারজনকে গুরুতর আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন যুবলীগ নেতা নাসিম উদ্দিন, আনিসুর রহমান আনিস, কামাল হোসেন, মোশারফ হোসেন।  মুমূর্ষ অবস্থায় নাসিমকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে রাতেই স্থানান্তর করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকা জনক বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১২ এপ্রিল শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দেবোত্তর বাজারে রুনা হোটেলের সামনে। পরে আটঘরিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় দুইটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়। এবিষয়ে আটঘরিয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আটঘরিয়া পৌর সভার কন্দর্পপুর গ্রামের আব্দুল রশিদ এর ছেলে রুবেল ও আব্দুর রহিমের ছেলে হিমেল ও মালেক গং লাঠিশোঠা, ধারালো অস্ত্র, জিআইপাইব, চাপাতি, টাংঙ্গি, বেল্ড দিয়ে কর্ন্দপপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে দেবোত্তর ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেনকে মিলন স্টোরের সামনে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে ও ব্যাপক মারপিটে আহত করে। এসময় যুবলীগের নেতা নাসিম রুনা হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে তার উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে বেধরক মারপিট  করে হাত পা ভেঙে দিয়েছে তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থা অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবোত্তর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে একটি টিন শেটের দো-চালা ঘর তৈরি করে আওয়ামী যুবলীগের সাইর্ন বোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই সাইন বোর্ডের অন্তরালে কি ঘটছে  প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। প্রতিনিয়তই একের পর এক তারা ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছেন। তাদের ভয়ে এলাকার সাধারন মানুষ মুখ ফুটে কিছুই বলতে সাহস পাইনা। বললেই খুন খারাপির ঘটনা ঘটায়। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারন জানান, দীর্ঘ দিন যাবত এই ঘরের মধ্যে অবৈধ কাজ কর্ম হয়ে আসছে। সন্ধার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাদক সহ  নানা ধরনের অপকর্ম হয়ে থাকে এই ঘরে। দেবোত্তর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পরিবেশ ও এই বাজারের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ঘরটি দ্রুত উচ্ছেদ করা অতি প্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। তবে গ্রেপ্তারের জন্য সাড়াষি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Share.

Leave A Reply