কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিতে আটঘরিয়ায় প্রেসক্লাবের অবস্থা লন্ডভন্ড ফসলের ক্ষতি

0

আটঘরিয়া প্রতিনিধি : আটঘরিয়া উপজেলার উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে শাকসবজি আমসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে কলাগাছ, ভূট্রাক্ষেত ও আটঘরিয়া প্রেসক্লাব ঝড়ে দুমড়ে মুচড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার তিনটার দিকে শুরু হওয়া উপজেলায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আমগাছের গুটি আম ঝড়ে গেছে। ঝড়ে শাকসবজি সহ ফসলের ক্ষেতগুলো মারাতœাক ক্ষতি হয়েছে। শ্রীকান্তপুর গ্রামের মনি জানান, এবার আমের গুটি অনেক বেশি হয়েছে। কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আমের গুটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবং গুটি গুলো ঝড়ে পড়ে গেছে। সেগুলো শিলার ঘাতে ঝড়ে পড়েছে।

একই গ্রামের মো: আজগার আলী জানান, সে চার বিঘা জমিতে কলা বাগান করেছেন। আর কয়েক মাস পর কলা কাটবেন। কিন্তু গত দুই দিনে কালবৈশাখী ঝড়ে তার চার বিঘা জমির কলাবাগান মাটিতে ভেঙে পড়েছে। এতে তার প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন জানান, উপজেলা বিভিন্ন এলাকাতে শিলাবৃষ্টিতে আম ও লিচুর প্রচুর গুটি হয়েছে। কিন্তু এই ঝড়ে তা পড়ে গেছে। আবার অনেক কৃষকের কলাবাগান ভেঙ্গে মাটিতে শুয়ে পড়েছে। এতে কৃষকের ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার জানান, আটঘরিয়া উপজেলায় ১২৫ হেক্টর বিঘা জমিতে ভূট্রা চাষ করা হয়েছে। তবে গত বছরে এর লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৯০ হেক্টর। তাই গতবারের চেয়ে এবছর ৩৫ হেক্টর জমিতে ভূট্রা চাষ বেশি হয়েছে। কিন্তু ব্যাপক ঝড়ও হাওয়ায় আর শিলাবৃষ্টিতে ভূট্রা গাছ ভেঙে হেঁলে পড়েছে। তাতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে করছেন। তিনি আরও বলেন, ঝড় চলাকালে অনেক বড় বড় আকারে শিলাখন্ড পড়ায় অনেক স্থানে কাঁচা ঘর বাড়ি, টিনের চাল, মাটির তৈজপত্র নষ্ট হয়েছে। এবারের ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কলাবাগান। ইতিমধ্যে উঠতি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কৃষকেরা। মৌসুমের প্রথম শিলাবৃষ্টিতে আম ও লিচুর গুটি ঝরে পড়েছে। ফলে ফলন কম হবে বলে মনে করছেন তিনি।

Share.

Leave A Reply