চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৭ জন লড়ছেন জেলায়

0

স্টাফ
রিপোর্টার : আগামী ১৮ মার্চ দ্বিতীয়
ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পাবনায় ভোটারদের
মধ্যে তেমন আমেজ বা
আগ্রহ না থাকলেও ঘুম
নেই প্রার্থী ও তাদের কর্মী
সমর্থকদের। দিনরাত চষে বেড়াচ্ছেন উপজেলার
এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে।
পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে উপজেলা
থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা মাইকে ও হাট-বাজারে
কুশল বিনিময়ে সীমাবদ্ধ। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রার্থনা
খুব একটা দেখা যাচ্ছেনা।
সব দল নির্বাচনে না
আসায় আগ্রহ হারিয়েছে ভোটাররা। তাই অনুপস্থিত উৎসবমুখর
পরিবেশ।

পাবনায়
চেয়ারম্যান পদে মোট ২৫
জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে চাটমোহরে
৫ জন, ভাঙ্গুড়ায় ৫
জন, আটঘরিয়ায় ৩ জন, ঈশ্বরদীতে
৪ জন, ফরিদপুরে ৩
জন, বেড়ায় ৩ জন এবং
সাঁথিয়া উপজেলায় ২ জন প্রার্থী
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
৪৮ জন ও মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

পাবনার
নয়টি উপজেলার মধ্যে সবগুলো পদে ভোট হবে
৭টি উপজেলায়। সদর উপজেলায় সবগুলো
পদে এবং সুজানগর উপজেলায়
শুধু চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে পাবনা
সদর উপজেলায় তিনটি পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন (আ’লীগ মনোনীত),
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান শাওয়াল
বিশ্বাস ও মহিলা ভাইস
চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার রেখা। এছাড়া সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহীন (আওয়ামীলীগ মনোনীত)।

পাবনার
সদর উপজেলা বাদে বাকি ৮টি
উপজেলার মোট ভোটার ১৪
লাখ ৪৩ হাজার ৮৬৩
জন। এর মধ্যে পুরুষ
ভোটার ৭ লাখ ২৯
হাজার ৪২৭ জন এবং
মহিলা ভোটার ৭ লাখ ১৪
হাজার ৪৩৬ জন। মোট
ভোট কেন্দ্র ৫২৩টি। মোট ভোট কক্ষ
৩ হাজার ৫৬৯টি।

চাটমোহর
: জেলার অন্যতম বড় এ উপজেলায়
চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৫
জন। তারা হলেন, উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো (নৌকা), পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ মাস্টার (ঘোড়া), চাটমোহর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ
সম্পাদক মির্জা আবু হায়াত মো.
কামাল জুয়েল (আনারস) ও উপজেলা ছাত্রলীগের
সভাপতি আবদুল আলীম (দোয়াত কলম), অ্যাডভোকেট মো. আবদুস ছাত্তার
(লাঙ্গল)। এর মধ্যে
নৌকা ও ঘোড়া প্রতিকের
প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে
আভাস মিলেছে।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
৬ জন ও মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন
প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, আসাদুজ্জামান
(চশমা), ইসাহাক আলী মানিক (তালা),
শরিফুল ইসলাম (টিউবওয়েল), শাহ আলম (মাইক),
সামছুল ইসলাম (টিয়া পাখি), সোলায়মান
আলী (বৈদ্যুতিক বাল্ব), আরেফিন আক্তার লিলি (কলস), দেলোয়ারা হালিম (হাঁস) ও ফিরোজা পারভীন
(ফুটবল)।

চাটমোহর
উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ২
লাখ ১৫ হাজার ৬৪০
জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭
হাজার ৩২৬ জন ও
মহিলা ভোটার ১ লাখ ৮
হাজার ৩১৪ জন। ভোট
কেন্দ্র ৮৭টি।

ভাঙ্গুড়া
: এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৫
জন। তারা হলেন, জেলা
আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক
সম্পাদক মো. বাকিবিল্লাহ (নৌকা),
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা
আমির হোসেন (আনারস), মোস্তফিজুর রহমান (লাঙ্গল), জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান রোজ (ঘোড়া), মনছুর
রহমান (আম)। এখানেও
নৌকার সাথে লড়াই হবে
ঘোড়ার।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারাম্যান পদে
৬ জন এবং মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন, আনিছুর
রহমান (উড়োজাহাজ), আফসার আলী (তালা), গোলাম
মোস্তফা জুয়েল (বই), গোলাম হাফিজ
(টিউবওয়েল), মোখলেছুর রহমান (চশমা), শামীম আহম্মেদ (মাইক), আজিদা খাতুন (ফুটবল), আফিয়া খাতুন (কলস) ও জোসনা
পারভীন (হাঁস)।

ভাঙ্গুড়া
উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও
একটি পৌরসভায় মোট ভোটার ৯০
হাজার ২৬৫ জন। পুরুষ
ভোটার ৪৫ হাজার ১২৭
জন ও মহিলা ভোটার
৪৫ হাজার ১৩৮ জন। ভোট
কেন্দ্র ৪১টি।

আটঘরিয়া
: এখানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন
৩ জন। তারা হলেন,
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন পান্না (নৌকা), কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা
বিষয়ক উপ-সম্পাদক তানভীর
ইসলাম (মোটর সাইকেল), জেলা
আওয়ামীলীগের সদস্য ঈশারত আলী (আনারস)।
এ উপজেলায় ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
৯ জন ও মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন, আব্দুস
সাত্তার মো: শরিফুল ইসলাম
সোহেল (তালা), আক্কাস আলী (টিয়া পাখি),
আবু নছর (টিউবওয়েল), খাইরুল
ইসলাম (মাইক), জালাল উদ্দিন (বৈদ্যুতিক বাল্ব), জাহাঙ্গীর আলম (পালকি), মহিদুল
ইসলাম (বই), হাবিবুল্লাহ মোল্লা
(চশমা), হেলাল হোসেন (উড়োজাহাজ), জোসনা খাতুন (কলস), তহমিনা সুলতানা (হাঁস), নীলা খাতুন (সেলাই
মেশিন), রুনা আক্তার (ফুটবল)
ও শেখ কাজী সোনিয়া
হক (পদ্ম ফুল)।

আটঘরিয়া
উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ১
লাখ ১৯ হাজার ১১৬
জন। পুরুষ ভোটার ৫৯ হাজার ৭৬৮
জন ও মহিলা ভোটার
৫৯ হাজার ৩৪৮ জন। ভোট
কেন্দ্র ৪৫টি।

ঈশ্বরদী
: এই উপজেলা ৪ জন লড়ছেন
চেয়াম্যান পদে। তারা হলেন,
জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান বিশ্বাস (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মকলেছুর রহমান মিন্টু (আনারস), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি
নেতা আতিয়ার রহমান (মোটর সাইকেল) ও
মোস্তাফিজুর রহমান (দোয়াত কলম)। এখানে
নৌকার সাথে লড়াই জমবে
আনারসের।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
৮ জন ও মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন, আসাদুজ্জামান
(টিউবওয়েল), আজিজুর রহমান (টিয়া পাখি), আব্দুর
রহমান মিলন (উড়োজাহাজ), আব্দুল কাদের (চশমা), আব্দুস সালাম (মাইক), ইমরুল কায়েস দ্বারা (বই), ময়নুল ইসলাম
(তালা), মেহেদি হাসান (বৈদ্যুতিক বাল্ব), মাহজেবিন শিরিন পিয়া (ফুটবল), আতিয়া ফেরদৌস (কলস), ছাবিনা ইয়াসমিন (হাঁস), জান্নাতুল ফেরদৌস (বৈদ্যুতিক পাখা), ফেরদৌস আরা বেবি (প্রজাপতি),
মাহমুদা বেগম  (সেলাই
মেশিন) ও সুমাইয়া সুলতানা
হ্যাপি (পদ্ম ফুল)।

ঈশ্বরদী
উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ২
লাখ ৪৩ হাজার ৪০৫
জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২২
হাজার ৮৮৫ জন ও
মহিলা ভোটার ১ লাখ ২০
হাজার ৫২০ জন। ভোট
কেন্দ্র ৮৪টি।

ফরিদপুর
: চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৩
হেভিওয়েট প্রার্থী। তারা হলেন, বর্তমান
উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান (নৌকা), উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য গোলাম হোসেন গোলাপ (আনারস), উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম বকু (ঘোড়া)।
এ উপজেলায় ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা
রয়েছে।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
৩ জন ও মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন, আবুল
এহসান (উড়োজাহাজ), নুরুল ইসলাম (তালা), মাহতাব উদ্দিন (চশমা), নাছরিন আলম (কলস), তাসলিমা
আক্তার (হাঁস) ও নাসরিন পারভীন
(ফুটবল)।

ফরিদপুর
উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ৯৬
হাজার ৯৩১ জন। পুরুষ
ভোটার ৪৮ হাজার ৪৭৬
জন ও মহিলা ভোটার
৪৮ হাজার ৪৫৫ জন। ভোট
কেন্দ্র ৪৩টি।

বেড়া
: এ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন। তারা
হলেন, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (নৌকা), উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন (আনারস), জাপা এরশাদ মনোনীত
আলী আহাদ (লাঙ্গল)। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
হবে নৌকা ও আনারসের
মধ্যে।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৭
জন ও মহিলা ভাইস
চেয়ারম্যান পদে ২ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন, আব্দুল
মান্নান মানু (উড়োজাহাজ), আবু সামা মোল্লা
(মাইক), আরিফ শেখ (টিয়া
পাখি), জাহাঙ্গীর আলম (টিউবওয়েল), নাজমুল
বাশার (বই), শওকত হোসেন
(তালা), মেসবাহ-উল-হক (চশমা),
আনোয়ারা আহম্মেদ (ফুটবল) ও শায়লা শারমিন
ইতি (হাঁস)।

বেড়া
উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ১
লাখ ৯১ হাজার ৮৫১
জন। পুরুষ ভোটার ৯৭ হাজার ৮০৬
জন ও মহিলা ভোটার
৯৪ হাজার ৪৫ জন। ভোট
কেন্দ্র ৬৮টি।

সুজানগর
: সুজানগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
নির্বাচিত হয়েছেন। ভোট হবে শুধু
ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস
চেয়ারম্যান পদে। এর মধ্যে
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে
২ জন ও মহিলা
ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন, জালাল
উদ্দিন (চশমা), জিয়াউর রহমান কল্লোল (মাইক), আজমিরি সুলতানা পলি (হাঁস), মর্জিনা
খাতুন (কলস) ও রাবেয়া
বেগম (ফুটবল)।

সুজানগর
উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ২
লাখ ৭ হাজার ৭৪৬
জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬
হাজার ১৯১ জন ও
মহিলা ভোটার ১ লাখ ১
হাজার ৫৫৫ জন। ভোট
কেন্দ্র ৬৭টি।

সাঁথিয়া
: এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ২
জন। তারা হলেন, সাঁথিয়া
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার
(নৌকা), বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু
তালেব প্রামানিক (ঘোড়া)। এখানে
নৌকা ও ঘোড়ার লড়াইয়ের
দিকে তাকিয়ে থাকবে সবাই।

এছাড়া
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৭
জন ও মহিলা ভাইস
চেয়ারম্যান ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছেন। তারা হলেন, আক্তারুজ্জামান
(মাইক), আফছার আলী (বই), জিয়ারুল
মৃধা (চশমা), বাবলু মিয়া (তালা), মেহেদি হাসান (টিয়া পাখি), শামছুল
হক স্বপন (টিউবওয়েল), সোহেল রানা (উড়োজাহাজ), তাহমিনা পারভীন (ফুটবল), আঞ্জুয়ারা (কলস) ও সেলিমা
সুলতানা (হাঁস)।

সাঁথিয়া
উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও
১টি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটার ২
লাখ ৭৮ হাজার ৯০৯
জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪১
হাজার ৮৪৮ জন ও
মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩৭
হাজার ৬১ জন। ভোট
কেন্দ্র ৮৮টি।

Share.

Leave A Reply