ধানের আবাদ দাম নিয়ে কৃষক হতাশ আটঘরিয়ায়

0

আটঘরিয়া প্রতিনিধি : আটঘরিয়া উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নের ৬ হাজার ৩শ ৯০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে উপশি ৬ হাজর ৫০ হেক্টর, হাইব্রিড ৩ শ ২৫ হেক্টর, এবং স্থানীয় জাত ১৫ হেক্টর। এবছর উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রায় চেয়েও বেশি পরিমান বোরো আবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার বোরোর বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে কৃষক হতাশ। ঝড়বৃষ্টিতে কিছুটা পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু তার পরও কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। বাজারে ক্রেতা নেই বললেই চলে। আর বর্তমানে বাজারে যে ধানের দাম তাতে লাভ তো দুরের কথা কৃষকের উৎপাদন খরচ উঠছে না। কৃষক প্রতিমন ধানে নূন্যতম ২শ টাকা করে লোকমান গুনতে হচ্ছে। কারণ দেশে সার সেচ কৃষি যন্ত্রপাতি ও উপকরনের দাম ও বেশি। তবে এবছর উপজেলার  কৃষক সর্বক্ষনিক মাঠে পরিদর্শন করায় ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কৃষি বিভাগ ও কৃষককেরা জানান, চলতি বছরে প্রতি কেজি বোরো ধান উৎপাদনে খরচ হয়েছে ২৪ টাকা। আর প্রতি কেজি চালের উৎপাদন খরচ পড়েছে ৩৬ টাকা। ওই হিসেবে প্রতিমন কেজি হিসেবে ধানের উৎপাদন খরচ হয়েছে ৯শ ৬ টাকা ৫০ পয়সা। বর্তমান দেশের হাটবাজারে গুলোতে প্রতি মন বোরো  ধান বিক্রি হচ্ছে ৫শ থেকে ৬শ টাকা। প্রতি মন ধানে কৃষক পাচ্ছে ২শ থেকে ৪শ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। ফলে বর্তমান দরে কৃষক তার কষ্টার্জিত ফসল বিক্রি করে স্বচ্ছলতার মুখ দেখা তো দুরের কথা জীবিকা চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পৌর সভার কৃষক বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক আব্দুল খালেক ও জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক বিপ্লব কুমার সেন জানান, ধানের বাজার মূল্য যদি এমন থাকে তাহলে কৃষকেরা অনেক লোকসান এর কবলে পড়বে। উপজেলা সকল কৃষকের দাবি কৃষি উপকরণের বাজার মূল্য তুলনা করে ধানের মূল্য নির্ধারণ করলে কৃষকরা উৎসাহিত হবে।

Share.

Leave A Reply