শাদাব বিশ্বকাপ নিয়ে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন পাকিস্তানকে

0

এফএনএস স্পোর্টস: বিশ্বকাপের জন্য মাত্রই ছাড়পত্র মিলেছে। হেপাটাইটিস সি সংক্রমণের কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মাঠ নামা হয়নি এই লেগ স্পিনারের। তবে বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে সংশয় দূর করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সুস্থ হয়েই সমর্থকদের বড় আশার কথা শোনালেন শাদাব, বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে নাকি ভয় পাওয়া উচিত সব দলের।

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের মূল স্পিন ভরসা শাদাব খান। বিশ্বকাপে এই লেগ স্পিনারের ওপর পাকিস্তান কতটা নির্ভর করছে, সেটা বোঝা গেছে দুদিন আগে। অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ নিজেই শাদাবের বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে মাঝের ওভারে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে পাকিস্তান। ইমাদ ওয়াসিমদের স্পিনে অনায়াসে রান করেছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা।

বোলারদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা লুকাননি শাদাব। কিন্তু ইংল্যান্ড সিরিজের পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্বকাপের হিসাব করতে মানা করে দিয়েছেন, ‘বিশ্বকাপে ভালো করার জন্য শতভাগ ক্ষমতা পাকিস্তানের আছে। আপাতত খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সব দলই তো এমন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে ভালো ক্রিকেটই খেলছে ওরা (পাকিস্তান দল)। বোলাররা ভালো করছে না। যে ছন্দ দরকার সেটা পাচ্ছে না। কিন্তু একবার ভালো করলেই আমরা ম্যাচ জেতা শুরু করব। দলের মূল চার খেলোয়াড় ছাড়া খেলা খুবই কঠিন। কিন্তু দ্বিপাক্ষিক সিরিজে খেলা আর বিশ্বকাপে খেলার চাপের মধ্যে তফাত আছে। ’

ওয়ানডেতে টানা আট ম্যাচ হেরেছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের আগেই জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের বদলে যাওয়া উইকেটের সঙ্গে একবার মানিয়ে নিতে পারলেই নাকি পাকিস্তান ভালো করবে, ‘এখন উইকেট নেওয়াটা খুব জরুরি কারণ ক্রিকেট খুব দ্রুত হয়ে উঠেছে এবং ৩৫০ রানও নিরাপদ নয়। হ্যাঁ, মাঝের ওভারগুলোতে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা যেভাবে খেলছে, সেটা একটা ভালো দিক।’

ওয়ানডে ক্যারিয়ার এখনো সমৃদ্ধ নয় শাদাবের। ৩৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৪৭ উইকেট পেয়েছেন। কিন্তু ওভারপ্রতি রান দেওয়ার হারটাই (৪.৮০ ইকোনমি) তাঁকে আলাদা করে দিচ্ছে। ক্ষুদ্র ক্যারিয়ারেই আন্তর্জাতিক ট্রফি জেতার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ী দলের সদস্য ছিলেন শাদাব। ৪ ম্যাচ খেলে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন এই লেগ স্পিনার। ইংল্যান্ডে খেলার অভিজ্ঞতাই বিশ্বকাপ নিয়ে আশা বাড়াচ্ছে শাদাবের, ‘এবার বিশ্বকাপে যাচ্ছি। তবে এখানে (ইংল্যান্ড) গত তিন বছর ধরে নিয়মিত আসছি, তাই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে না। আমাকে শুধু ছন্দ খুঁজে পেতে হবে। এ ছাড়া মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত আমি। আমি এর আগেও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছি। যদিও কয়েকটি ম্যাচ হেরেছি, আমরা জানি কীভাবে বড় প্রতিযোগিতায় মানিয়ে নিতে হয়।’

Share.

Leave A Reply