‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আরও ১১

0

এনএনবি : ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরও ১১ জন নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসায়ী বলছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শুক্রবার ভোর ও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের বিভিন্ন সময়ে কথিত এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের গুলিতে নেত্রকোণায় দুইজন এবং সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ, ঝিনাইদহ, কুমিল্লা, গাইবান্ধা ও শেরপুরে একজন করে নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় একজন নিহত হয়েছেন র‌্যাবের গুলিতে।

এছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালী ও হিমছড়িতে দুইজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়ার কথা জানিয়ে পুলিশ বলেছে, ‘মাদক বিক্রেতাদের মধ্যে গোলাগুলিতে’ তাদের মৃত্যু হয়েছে।

র‌্যাব ও পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের ১১তম দিনে এসে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে।

নেত্রকোণা : মাদক বিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে নেত্রকোণা সদর উপজেলায় দুই যুবক নিহত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মনাং গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি বোরহান উদ্দিন খান জানান।

নিহত ৩৫ বছর বয়সী দুই যুবক মাদক বিক্রেতা বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা ভাষ্য।

ওসি বলেন, মনাং গ্রামে মাদক ব্যবসায়ীদের জড়ো হওয়ার গোপন সংবাদে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে দুইজন আহত হলে তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।

গোলাগুলির সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হলে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে তিন হাজারের বেশি ইয়াবা, দুটি পাইপগান ও ৭০৭ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারের খবর জানায় করা পুলিশ।

কক্সবাজার : মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে কক্সবাজারে পৃথক এলাকা থেকে এক ইউপি সদস্য ও এক যুবকের লাশ পাওয়া গেছে; যারা দুই দল মাদক বিক্রেতার গোলাগুলিতে নিহত হয়েছে বলে পুলিশের ভাষ্য।

পুলিশ বলছে, নিহতরা মাদক চোরকারবারীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল বলেন, রামু উপজেলার কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি এলাকা থেকে শুক্রবার সকালে আক্তার কামালের (৪৮) লাশ উদ্ধার করা হয়।

আক্তার টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ছিলেন। তার নামে টেকনাফসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি সাংসদ আব্দুর রহমান বদির বেয়াই বলে পুলিশ জানায়।

এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে এক হাজার ইয়াবা, একটি দেশি তৈরি বন্দুক ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

টুটুল বলেন, “মাদক মামলা মাথায় নিয়ে আক্তার দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। সকালে স্থানীয়রা তার গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তা উদ্ধার করে।”

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দুপক্ষের কোন্দলের জেরে গোলাগুলির মধ্যে আক্তার নিহত হয়েছেন বলে ধারণা এ পুলিশ কর্মকর্তার।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের পাহাড়তলী এলাকা থেকে মোস্তাক আহমদের (৩২) লাশ উদ্ধারের খবর জানিয়েছেন মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

মোস্তাক ওই এলাকার এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় জড়িত অভিযোগে মহেশখালী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

ঘটনাস্থলের পাশ থেকে এক হাজার ইয়াবা, চারটি বন্দুক ও চার রাউন্ড গুলি পাওয়া গেছে বলে জানান ওসি।

তিনি বলেন, পাহাড়তলী এলাকায় দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় মাদক বিক্রেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে মাদকবিক্রেতারা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোস্তাকের লাশ পাওয়া যায়।

লাশ থানায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে ওসি প্রদীপ জানান।

ঢাকা : রাজধানীর তেজগাঁওয়ের র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে মাদক ও অস্ত্র মামলার আসামি এক যুবক নিহত হয়েছেন।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিজি প্রেস স্কুল মাঠের গলিতে এ গোলাগুলি ঘটনা ঘটে।

নিহত কামরুলের বয়স অনুমানিক ৩৫ বছর। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তেজগাঁও রেললাইন বস্তি এবং মহাখালী সাততলা বস্তি এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী কামরুল ১৫টির বেশি মাদক ও অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

এসআই মিজানুর বলেন, মাদক বিক্রির জন্য একদল মাদক ব্যবসায়ী বিজি প্রেস এলাকায় অবস্থান করছে খবর পেয়ে র‌্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি করলে একজন আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লাশ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ নগরীতে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রাজন মিয়া নিহত হয়েছে বলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান জানিয়েছেন।

আশিকুর বলছেন, নগরীর পুরোহিতপাড়া এলাকার হারনি মিয়ার ছেলে শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী রাজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকসহ নয়টি মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে পুরোহিত মহল্লায় রেলওয়ে কলোনীর রেনু বেগমের পুকুরের পাড়ে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

ওসি বলেন, ওই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের অবস্থানের সংবাদে পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি ছোড়ে। এতে রাজন আহত হলে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় তিনিসহ পুলিশের এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ৪০০ টি ইয়াবা, তিনটি গুলির খোসা ও একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইউনুস আলী দালাল নামে এক ব্যক্তি নিহতের খবর জানিয়েছেন কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দুইটার দিকে উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি গ্রামে এ গোলাগুলির ঘটনায় ইউনুস আলী দালাল নিহত হন।

কলারোয়ার দক্ষিণ ভাদিয়ালি গ্রামের আব্দুল্লাহ দালালের ছেলে ইউনুস একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার বিচার চলছে বলে ওসি বিপ্লবের ভাষ্য।

এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি সীমান্তে দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এসময় মাদক বিক্রেতারা একটি বিলের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বাচাঁও বাঁচাও বলে চিৎকার শুনে পুলিশ সদস্যরা বিলের দিকে এগিয়ে গিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইউনুসকে পায়। তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউনুসকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধারের খবর জানিয়েছে পুলিশ।

ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে শামীম সরদার (৪৫) নামের এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

উপজেলার আড়পাড়ায় বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান।

শামীম ওই এলাকার মমিন সরদারের ছেলে। তিনি উপজেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় নয়টি মাদক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

ওসি মিজানুর বলেন, আড়পাড়া এলকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে খবরে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে শামীমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়।সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় এস আই অমিত কুমার দাস, এ এস আই শামীম হোসেন ও কনস্টেবল নাজিম উদ্দিন ও রতন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে ওসির ভাষ্য।

এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, ৫০০টি ইয়াবা ও ১৭ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারের কথাও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

কুমিল্লা : কুমিল্লায় মাদক বিরোধী অভিযানের সময় বন্দুকযুদ্ধে কামাল হোসেন ওরফে ফেন্সি কামাল (৫১) নামের তালিকাভুক্ত এক মাদক ব্যবসায়ী নিহতের খবর জানিয়েছেন বুড়িচং থানার ওসি মনোজ কুমার।

উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের মহিষমারা এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনায় নিহত কামাল হোসেন সদর উপজেলার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের হিরন মিয়ার ছেলে।

তার বিরুদ্ধে বুড়িচং ও কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় ১২টির অধিক মাদকের মামলা রয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ১ রাউন্ড কার্তুজসহ একটি পাইপগান ও ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

জেলা ডিবি পুলিশের এসআই শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম জানান, কামাল ও তার সহযোগীরা মহিষমারা এলাকা দিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা করছে খবর পেয়ে বুড়িচং থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের দল সেখানে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ তাদের আটকের চেষ্টা করলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে ফেন্সি কামাল আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ।”

এসআই শাহ কামাল বলেন, ওই অভিযানের সময় ডিবির এসআই নন্দন চন্দ্র সরকার, এএসআই সাহাবুল হোসেন ও কনস্টেবল সুমন মিয়া আহত হন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

এরা হলেন- সদর উপজেলার ছাওয়ালপুর গ্রামের মফিজ মিয়ার ছেলে হানিফ (৪২) ও জেলার চান্দিনা উপজেলার কোরপাই গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে এবং ইলিয়াস (২৮)।

শেরপুর : শেরপুর সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী আজাদ ওরফে কালু ডাকাত নিহত হয়েছে।

উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র সেতুর কাছে সাতপাকিয়া এলাকায় শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে শেরপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আমিনুল ইসলাম জানান।

কালু সদরের মরাকান্দি খাসপাড়া গ্রামের মুন্তাজ আলীর ছেলে এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মমতাজ বেগমের ভাই।

গোলাগুলির সময় শেরপুর সদর থানার এক এসআই ও দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হলে তাদের জেলা সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয় বলে পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুলের ভাষ্য।

এদিকে কালুর স্বজনদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ কালুকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার ভোরে তারা কালুর মৃত্যুর খবর পান।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, কালু শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী ছিল। তাকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়নি। লাশ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

Share.

Leave A Reply