শীতের সবজিতে ভরপুর আটঘরিয়া

0

মাসুদ রানা : আটঘরিয়া উপজেলায় শীতের বাজারে সবজিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে। তবুও এই বাজারে উঠে গেছে সব রকমের শীতে সবজী। নতুন সবজী বাজারে আসায় দাম একটু চড়া। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় সবজীর দাম অনেকেটাই কমে গেছে বলে জানাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা বলছে শীতের নতুন সবজী বাজারে আসায় দাম একটু বেশি। শীতকালীন সবজীর তালিকায় বাজারে উঠেছে ফুরকপি,বাঁধাকপি, মুলা,শিম, বরবটি,লাউ,ক্ষীরা,পালংশাক নতুন সবজীর দোকান গুলোর চেহারাই বদলে দিয়েছে। দুই থেকে তিন মাসের ব্যবধানে আটঘরিয়া উপজেলা বিভিন্ন বাজারে ১শ টাকার শিম বিক্রি হচ্ছে এবং পাইকেরি বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে। ফলে দীর্ঘ দিন ধরে বাজারের সব থেকে দামি সবজির তালিকায় থাকা শিম এখর সস্থার তালিকায় নেমে এসছে। শিমের পাশাপাশি শীতের আগাম সবজী ফুলকপি,বাঁধাকপি,মুলাসহ প্রায় সব সবজীর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কমে গেছে। গতকাল সোমবার আটঘরিয়া হাট ও শুক্রবার দেবোত্তর হাট ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে। বাজারে শীতের সবজী ভরপুর থাকায় দাম কমেছে। তবে সবজীর দাম আগের তুলনায় কমলেও স্থিতিশীল রয়েছে মাছ ও মাংসের দাম। এদিকে বাজার ঘুরে দেখা যায়,বাজারে দামি সবজীর তালিকায় রয়েছে টমেটো,গাঁজর,ও কচুর দাম। বাজার ভেদে কম দামের তালিকা রয়েছে শীতের অন্যতম আগাম সবজী ফুলকপি,বাঁধাকপি। বাজার মানতে ফুলকপি প্রতি কেজি ১০-১৫টাকা,যা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ২৫-৩০টাকা। আর ৩০-৩৫ টাকা বিক্রি হওয়া বাঁধাকপি দাম কমে ১৫-২০ টাকা কেজিতে নেমে এসছে। শীতের সবজীর পাশাপাশি বাজারে এসেছে শীতের শাক। বাজার ভেদে এক কেজি পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা। লাল ও সবুজ শাক কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮-১০টাকা। কলমির শাক প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০টাকা। এছাড়াও প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫টাকা,বেগুন ২২-২৫টাকা,একপিচ লাউ ১৫-২০টাকা,পেঁপে কেজিপ্রতি ১০-১৫টাকা,মুলা ১০-১২টাকা,শসা ২০-২৫টাকা,পটল ২৫-৩০ টাকা করলা ৪০-৫০টাকা,ডেঁড়স ২০টাকা,দেশাল শিম ৪০টাকা,ধুনা পাতা ১৫-২০টাকা আটি,লেবু হালি ১৫ টাকা।

সবজী বিক্রেতা জাবেদ হোসেন জানান,বর্তমান বাজারে শীত আসার আগেই শীতের সবজীতে ভরে গেছে বাজার। আর শীতের সবজী বাজারে আসার ফলে সবজীর দাম কিছুটা কমেছে। এতে ক্রেতাদের শীতকালীন সবজীর প্রতি চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন সবজীর দাম আরো কমবে বলে জানান তিনি। সবজী ক্রেতা আক্তারুজ্জামান জানান,শীতের বাজারে নতুন সবজী আসায় দাম নাগালের মধ্যে আছে। দুইশ টাকা নিয়ে বাজারে গেলে ব্যাগ ভর্তি করে বাজার আনা যায় বলে তিনি মনে করেন।

Share.

Leave A Reply